এ ছাড়া ছাত্রলীগ, যুবলীগসহ বিভিন্ন সংগঠনের পক্ষ থেকেও এমপি লিটনের মরদেহে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। এ সময় দোয়া পরিচালনা করেন সংসদ সচিবালয় মসজিদের পেশ ইমাম মাওলানা নুরুল ইসলাম। এর আগে জানাজায় ইমামতিও করেন তিনি।
শনিবার সন্ধ্যায় সুন্দরগঞ্জ উপজেলার বামনডাঙ্গা ইউনিয়নের শাহাবাজ এলাকায় নিজ বাড়িতে গিয়ে দুর্বৃত্তরা এমপি লিটনকে গুলি করে। গুরুতর আহতাবস্থায় উদ্ধার করে রংপুর মেডিকেল কলেজ (রমেক) হাসপাতালে নেওয়া হলে সন্ধ্যা ৭টা ৪০ মিনিটে সার্জারি বিভাগের প্রধান ডা. বিমল চন্দ্র তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ময়নাতদন্তের পর রোববার এমপি লিটনের মরদেহ রংপুর পুলিশ লাইন্সে নেওয়া হয়। সেখানে তার প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এরপর মরদেহ হেলিকপ্টারে করে ঢাকায় আনা হয়। রাজধানীর বারডেম হাসপাতালের হিমঘরে মরদেহ রাখা হয়। সংসদ ভবন প্রাঙ্গনে জানাজা শেষে এমপি লিটনের মরদেহ এখন পুনরায় গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে নেওয়া হবে।




