সর্বশেষ
কাগজ২৪ — অবিচল সত্যের পথে
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা

কীভাবে ১৫৫ কেজি ওজন কমালেন আদনান সামি?

অনলাইন ডেস্ক । কাগজটোয়েন্টিফোরবিডিডটকম

২০০০ সালের দিকে ‘মুঝকো ভি তু লিফট কারা দে’ গান দিয়ে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পান বলিউডের সংগীতশিল্পী আদনান সামি। সবার মুখে তখন তারই গান লেগে থাকত। কিন্তু সে সময় তার ওজন ছিল ২০০ কেজির উপরে। সেই আদনান ১৫৫ কেজি ওজন কমিয়ে এখন দেখতে কোনো হিরোর চেয়ে কম নন। সবার মুখে একটাই কথা, কীভাবে এই অসম্ভবকে সম্ভব করলেন আদনান?

আদনান যখন জনপ্রিয়তার তুঙ্গে তখন তার একের পর এক অ্যালবাম বের হতে শুরু করে। সবার মুখে তার গান নিয়ে আলোচনা। তবে গানের পাশাপাশি আদনানের ওজন নিয়েও অনেকে কথা বলতে থাকেন। তার ওজন নিয়ে অনেকে তাকে ব্যঙ্গ করা শুরু করেন। এমনকি একটা সময় তার স্ত্রী তাকে ডিভোর্স দিয়ে চলে যান।

এরপর ২০০৫-০৬ সালের দিকে হঠাৎ করেই আদনান উধাও হয়ে যান। গুজব ওঠে, তিনি লাইপোসাকশন করাতে গিয়েছেন। কিন্তু সব প্রশ্নের উত্তর দেন আদনান নিজেই। তিনি জানান, লাইপোসাকশন করাতে নয়, চিকিৎসা করাতে গিয়েছিলেন তিনি।

অতিরিক্ত মেদের কারণে শ্বাসকষ্টের সমস্যায় ভুগছিলেন আদনান। চিকিৎসক জানান, তিনি যদি দ্রুত ওজন না কমান তাহলে ছয় মাসের বেশি বাঁচবেন না। তখনই সচেতন হন আদনান। আদনানের বাবাও তাঁকে উদ্বুদ্ধ করেন ওজন কমানোর জন্য। ওজন কমানোর জন্য তিনি নিউট্রিশনিস্টের শরণাপন্ন হন।

বিশেষজ্ঞের সাহায্য নিতে আদনান যান যুক্তরাষ্ট্রের হিউস্টনে। ডাক্তাররা আদনানের সমস্যা বিশ্লেষণ করে বুঝতে পারেন, আদনান খাওয়া-দাওয়া করেন মানসিক বিপর্যস্তের কারণে। ডাক্তাররা পরামর্শ দেন, আদনান যেন হাই প্রোটিন ডায়েটে নিয়ন্ত্রণ আনেন।

ওজন কমানোর প্রক্রিয়াটি ছিল বেশ জটিল। আদনান বলেন, ‘বিষয়টি ৮০ শতাংশ মানসিক আর বাকিটা শারীরিক।, নিউট্রিশনিস্ট আদনানকে জানান, আগে মন থেকে খাই খাই বন্ধ করতে হবে, পরে ডায়েট মেইনটেইন করতে হবে। মনকে সংযত করলে তাহলে শরীর কথা শুনবে।

আদনান ডায়েট শুরু করেছিলেন লো-ক্যালোরি এবং হাই-প্রোটিন খাবার দিয়ে। আদনান সকালে চিনি ছাড়া এক কাপ চা পান করতেন। দুপুরের খাবারে সবজি, সালাদ এবং মাছ। আর রাতে সেদ্ধ ডাল অথবা মুরগির মাংস। এভাবে সঠিক ডায়েট মেনে ৪০ কেজি ওজন কমিয়ে জিমে যাওয়ার অনুমতি পান আদনান।

আদনান জিমে প্রথমে হালকা ফ্রি হ্যান্ড দিয়ে শুরু করেন তার কসরত। কয়েক মাস যাওয়ার পর ওয়েট লিফটের রুটিন করে দেন ট্রেনার। সপ্তাহে ছয় দিন তিনি ফিটনেস ট্রেনিং শুরু করেন। প্রতি মাসে ১০ কেজি করে ওজন কমান তিনি। ১৬ মাসের মধ্যে কমান ১৫৫ কেজি ওজন। বর্তমানে তার ওজন ৬৫ কেজি।

২০১৩ সালে আদনান সামি যখন আবার ক্যামেরার সামনে আসেন, তাকে দেখে সবাই চমকে যান। এখন আদনান একেবারে সুস্থ। রীতিমতো ঈর্ষণীয় স্বাস্থ্যের অধিকারী তিনি।

আদনান এ বিষয়ে বলেন, ‘আমি এখন অনেক খুশি। আগে নিজের পায়ের পাতা দেখতে পেতাম না। আর এখন অনেক ফিট এবং ঝরঝরে লাগে। মানসিক অবসাদও চলে গিয়েছে।’

সূত্র: আনন্দবাজার

আরও পড়ুন

স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা

স্থানীয় অংশীদারদের সঙ্গে ‘চক্ষুসেবায় নারীদের অভিজ্ঞতা নিশ্চিৎকরণ’ বিষয়ক পরামর্শ সভা অনুষ্ঠিত

অনলাইন ডেক্স । কাগজটোয়েন্টিফোরবিডিডটকম কুলাউড়া/মৌলভীবাজার, ১৯ নভেম্বর ২০২৪: আজ কুলাউড়ায় স্থানীয় অংশীদারদের সঙ্গে ‘চক্ষুসেবায় নারীদের অভিজ্ঞতা নিশ্চিৎকরণ’ বিষয়ক…

স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা

আলকুশি কি? আলকুশি বীজের উপকারিতা, অপকারিতা ও আলকুশি বীজের পাউডার খাওয়ার নিয়ম।

বৈজ্ঞানিক নাম: Mucuna pruriens , এটি Fabaceae পরিবারের একটি উদ্ভিদ। আলকুশীর ইংরেজি: Velvet bean, Cowitch, Cowhage, Kapikachu, Nescafe, Sea bean। আমাদের দেশের অঞ…

স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা

সুপার ফুড সজনে পাতা

অনলাইন ডেক্স । কাগজটোয়েন্টিফোরবিডিডটকম যুগ যুগ ধরে প্রায় ৩০০ রোগের প্রতিরোধক হিসেবে সজিনা পাতার অবদান বিস্ময়কর যা পরীক্ষিত। শরীরের পুষ্টি চাহিদা পূরণ করতে সজ…